শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০১০

দেখেছি জল কেবল হাওয়ায়

সকাল থেকে যতবারই আকাশ দেখেছি
আকাশ দেখি বলে ভিজে গেছি
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল,
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি
দেখেছি জল কেবল হাওয়ায়
ভেজা বারান্দার গোপন মায়ায়
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল,
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি

ভিজতে ছাতা হাতে ভিজছে মানুষ
ভিজতে না চাইলেও ভিজতে হবে
শুকনো দেহের ঘরে বৃষ্টি হবে
কেউ দেখেনি কার দরোজায়
কে যে এসে ফিরে যে যায়
দেখা হবে ভেবে ভেবে
চলে যাবে তবু রাত পোহালে
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল,
বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি কেবল, বৃষ্টি হবে
জানলা খুলে রেখো খাতা ভিজুক
স্নানের ঘোরে সব শব্দ নাচুক
একলা রবে সারা বিকেল
এও কি হয়, এও কি হয়, কী যে হবে
কার দরোজায় বৃষ্টি এসে হাত বোলাবে

দেখেছি জল কেবল হাওয়ায়
ভেজা বারান্দার গোপন মায়ায়

সেলফোনে আর চার্জ দেবোনা

কমছে আলো, ভাবছিনা
সাদা চিঠি পড়ে আছে
দেখেও তা দেখছিনা
প্রাপকের ঘর শূন্য বলে
চিঠি কোথাও যাবে না

যাচ্ছে কোথায় একটি দিন
কান্না চেপে ভ্যাপসা রোদে
খবর রান্না হচ্ছেনা
শব্দগুলো যাচ্ছে দূরে
সঙ্গী হতে চাচ্ছেনা

এ তো সবে শুরু হল
আরো ছিল হচ্ছে হবে
নিয়ন আলো হলদে ঠিকই
হাঁটবো একা কিভাবে

কমছে আলো
কমছে কান্না
পুড়ছে চিঠি দেখছি না

পণ করেছি থাকবো একই
পাল্টাতে আর পারবোনা
ভাল্লাগেনা যা যা কিছু
ডায়রীতেও আর লিখবো না

সেলফোনে আর চার্জ দেবোনা
সেলফোনে আর চার্জ দেবোনা
সেলফোনে আর চার্জ দেবোনা

বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১০

রীতু :: প্রত্যাবর্তন (সাত)

শহরের এতগুলো লোক ভুল বুঝে এদিকে তাকালো
আমি কাঁদিনি একটুও কোনদিন, কোনদিন
সবাই তো আর রীতুর মতোন পাষাণ নয়
এমনকি এই
যানজটের বিষে এলোমেলো মুমূর্ষু লোকগুলোর
এতই দুঃখ ছিল ;
লোকদেখানো উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছি, ডুবে যাচ্ছি
বৃহৎ ক্ষত সমৃদ্ধ পরিমিত মানুষ ;

মেঘগুলো উড়তে উড়তে কাল বৃষ্টি ভেজালো খুব
ছাতা নিয়েই ভিজতে হলো, একদম একা
এত দুঃখ ছিল, এত বেশি দুঃখ ছিল...

__________________________________
(শেষের তিন লাইন প্রথমে যাবে
প্রথম চার লাইন তারপর বসবে,
বাকীরা যেভাবে বসে আছে, থাক)