এক মনস্তাত্বিক আণবিক বোমা
কেউ একজন করেছিল আবিষ্কার
করে প্রচুর আয়োজন
আগুনের গোলা দেখেছিলাম বড় ভেতরে
আর ধীরে ধীরে পুড়তে পুড়তে পুড়তে
পুড়তে পুড়তে পুড়তে..
না না .. শেষ হলোনা
বড় দাউদাউ ভেতরবাড়িতে আজো
চোখে জল আসেনা
তাই দ্বিধা হয়, কতটুকুইবা দহন আর..
তুমুল হাওয়ার মধ্যে
চোখ রাখি খোলা,
বড় সাধনা করে চোখের জলে
ভাসাই অবশিষ্ট শরীর
আয়নার সামনে দেখাতে নিজেকে
"দ্যাখো ছোঁড়া.. তুমি দুঃখী..."
আমি দেখেছিলাম দুটো কবুতর
পুরনো কড়ইয়ের উঁচুতে বেয়ে বেয়ে
নিজেদের ওরা কতটুকু বেসেছিল
বোঝা যায়নি,
জৈবিক গবেষণার বিষয় ।।
৬.৮.২০১০
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১১
বুধবার, ২৫ মে, ২০১১
সিগ্রেট হয়ে যাবার পর
দু দু'বার হাতের উপর ম'রে গেছি
গাড়ীটাও ছেড়ে দিয়েছি
সেই বসেই আছি, বসেই থেকেই শুনি
বুকের মধ্যে গীটারের কর্ড ছিঁড়ে যায়;
সিগ্রেট হয়ে যাবার পর
এখন কিছুটা বুঝি যাতনা বা সুখ, আর -
অবশিষ্ট শরীর গড়াতে থাকি,
লোকজন পিষতে পেরে খুশি
প্রয়োজন যেহেতু শেষ
আর কী কাজ আমার !
২৫.৫.২০১১
গাড়ীটাও ছেড়ে দিয়েছি
সেই বসেই আছি, বসেই থেকেই শুনি
বুকের মধ্যে গীটারের কর্ড ছিঁড়ে যায়;
সিগ্রেট হয়ে যাবার পর
এখন কিছুটা বুঝি যাতনা বা সুখ, আর -
অবশিষ্ট শরীর গড়াতে থাকি,
লোকজন পিষতে পেরে খুশি
প্রয়োজন যেহেতু শেষ
আর কী কাজ আমার !
২৫.৫.২০১১
রবিবার, ২২ মে, ২০১১
রোদমানুষ
আকাশপাত্রে যদি রাখো বিন্দু বিন্দু ভোর
দিয়ো শরীর ভরা চিঠি, তাকিয়ে আছি
সবটা ধুইয়ে দেবার পর, কিছুটা সময় রেখো
দেহ থেকে ছিঁড়ে নিয়ো মামুলি আকুতি,
সে থাকে বোধের বাইরে, কালোর শূন্যতে।
অনেকটা চাবুক এই রাত, ছাপানো কাগজের জাহাজে
টানটান পৃথিবীর আগলানো রত্নকে হাঁটিয়ে
পার করো, অগণিত গাণিতিক দাঁত, হাত, উরু
পৃথিবীকে ছারখার করে -
ওরা যে ডুবে আছে কৃত্রিম কাদায়,
ওদের জিহবা, বেড়ে চলে আঁটসাট পোশাকের বাইরে,
ওরা ছেপে দিতে চায় দুই আকাঙ্ক্ষার সীলমোহর
অসংখ্য জীবন, এভাবেই হনন, অকারণ;
প্রচুর প্রচুর নুন, ক্লান্ত পৃষ্ঠার মাত্রা নির্মাণ
ভান আর ঋণের আস্ফালন, কব্জিতে প্রশস্ত ব্যথা
যদি এই হয় পথ তুমুল লাফিয়ে পিষে যাবো তথাগত যা-কিছু,
মাংসের ঝাল তেঁতে আগুন করেছে,
বাঁকানো দেহে প্রবল জ্যামিতি, ভীষণ লাল
জৈবিক সুতোতে ক্রমাগত বাণিজ্যিক গিঁট আর রক্তের টুকরো;
মানবিক পা কেবল পালাতে চায়, একটু ঘুমোতে চায়,
যদি অন্ধকার থেকে একটু আলোতে উঁকি দিই
একটু আলোতে উঁকি দিই যদি অন্ধকার থেকে
খুব কাছে মাঠের শরীর,
দূর্বায় গেঁথে যাব পর্যাপ্ত সুখে,
ভ'রে দিয়ো, হতে দিয়ো রোদমানুষ
ভ'রে দিয়ো, হতে দিয়ো রোদমানুষ ।।
২২.৫.২০১১
দিয়ো শরীর ভরা চিঠি, তাকিয়ে আছি
সবটা ধুইয়ে দেবার পর, কিছুটা সময় রেখো
দেহ থেকে ছিঁড়ে নিয়ো মামুলি আকুতি,
সে থাকে বোধের বাইরে, কালোর শূন্যতে।
অনেকটা চাবুক এই রাত, ছাপানো কাগজের জাহাজে
টানটান পৃথিবীর আগলানো রত্নকে হাঁটিয়ে
পার করো, অগণিত গাণিতিক দাঁত, হাত, উরু
পৃথিবীকে ছারখার করে -
ওরা যে ডুবে আছে কৃত্রিম কাদায়,
ওদের জিহবা, বেড়ে চলে আঁটসাট পোশাকের বাইরে,
ওরা ছেপে দিতে চায় দুই আকাঙ্ক্ষার সীলমোহর
অসংখ্য জীবন, এভাবেই হনন, অকারণ;
প্রচুর প্রচুর নুন, ক্লান্ত পৃষ্ঠার মাত্রা নির্মাণ
ভান আর ঋণের আস্ফালন, কব্জিতে প্রশস্ত ব্যথা
যদি এই হয় পথ তুমুল লাফিয়ে পিষে যাবো তথাগত যা-কিছু,
মাংসের ঝাল তেঁতে আগুন করেছে,
বাঁকানো দেহে প্রবল জ্যামিতি, ভীষণ লাল
জৈবিক সুতোতে ক্রমাগত বাণিজ্যিক গিঁট আর রক্তের টুকরো;
মানবিক পা কেবল পালাতে চায়, একটু ঘুমোতে চায়,
যদি অন্ধকার থেকে একটু আলোতে উঁকি দিই
একটু আলোতে উঁকি দিই যদি অন্ধকার থেকে
খুব কাছে মাঠের শরীর,
দূর্বায় গেঁথে যাব পর্যাপ্ত সুখে,
ভ'রে দিয়ো, হতে দিয়ো রোদমানুষ
ভ'রে দিয়ো, হতে দিয়ো রোদমানুষ ।।
২২.৫.২০১১
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)